সিলেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৪ তম সেঞ্চুরির মাইল ফলক স্পর্শ মুশফিকুর রহিমের

টেস্ট উপভোগ করেন বলেই ওডিআই, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছেড়ে দিয়ে থেকে গেছেন মুশফিকুর রহিম লাল বলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে খেলেছেন শততম টেস্ট। সেঞ্চুরি টেস্টে বিশ্বের ১১তম ব্যাটার হিসেবে উদযাপন করেছেন সেঞ্চুরি। ৬ মাস আগে শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সেই কৃতি গড়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে টেস্টে সর্বাধিক সেঞ্চুরিয়ান মুমিনুলের সেঞ্চুরির সংখ্যাকে (১৩) ছুঁয়েছেন। সোমবার সিলেটে টি ব্রেকের পর মুহাম্মদ আব্বাসকে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে বাউন্ডারি মেরে মুমিনুলকে টপকে বাংলাদেশের সর্বাধিক টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান (১৪টি) এখন তিনি।
পার্টনারের অভাবে পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে মিস করেছেন সেঞ্চুরি (৭১)। সে কারণেই সিলেটে তিন অঙ্কে পৌছে যাওয়ার সংকল্প ছিল মুশফিকুর রহিমের। প্রথম ইনিংসে আম্পায়ার্স কলে ২৩ রানে এলবিডাব্লু হয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তৃতীয় দিনে একবারও ভুল করেননি। ১০৩ বলে ৩ চার, ১ ছক্কায় ৩০তম টেস্ট ফিফটির পর সেঞ্চুরির লক্ষ্যে ব্যাট করেছেন। পরবর্তী ফিফটির জন্য খেলেছেন তিনি ৭৫টি বল। মেরেছেন এই সময়ে ৬টি বাউন্ডারি। খুররম শেহজাদকে এক ওভারে ২টি বাউন্ডারি মেরে ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে মনযোগী মুশফিক ৯০-এর ঘরে বেশিক্ষণ আটকে থাকেননি। শেষ ১০ রানে খেলেছেন তিনি ২৩টি বল। ৯০-এর ফরে অফ স্পিনার সাজিদ খানকে ডাউন দ্য উইকেটে মেরেছেন বাউন্ডারি। ৯৯ থেকে সেঞ্চুরিতে পৌছুঁতে বেছে নিয়েছেন বাউন্ডারি শট। পাকিস্তানের বিপক্ষে মুশফিকুর রহিমের এটি ১০ম টেস্টে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ২০২৪ সালের আগস্টে রাওয়ালপিণ্ডি টেস্টে ম্যাচ উইনিং ১৯১ রানের ইনিংসের পর এই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ২ টেস্ট বিরতি দিয়ে করেছেন দ্বিতীয় সেঞ্চুরি উদযাপন। উদযাপনের অভিব্যক্তি সেই নিজস্ব স্টাইল। হেলমেট খুলে পিচের উপর সেজদা দিয়ে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে সন্তুষ্টি প্রকাশের মাধ্যমে করেছেন ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি উদযাপন।

মন্তব্যসমূহ